জন্ম ১৯৭৫ সনের ২২ অক্টোবর। তাঁর পুরো নাম আনোয়ারা নাসরিন সরমিন (লিপি)। জন্মস্থান- ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলায়, মাতুলালয়ে। দাদার বাড়ী মুক্তাগাছার মুক্তারবাড়ী। বাবার বাড়ী বর্তমানে ময়মনসিংহ শহরে, আকুয়া জুবিলী কোয়ার্টারে। এখানেই তাঁর শৈশব ও কৈশোর কাটে। পড়ালেখা ময়মনসিংহেই করেন। তাঁর পিতা মৃত মোজাম্মেল হোসেন এবং মাতা উম্মে কুলসুম। তাঁরা এক ভাই এক বোন। ছোট ভাইয়ের নাম আজাদ হোসেন (তুষার)। তাঁর দাদা মরহুম আবুল হোসেন একজন মশহুর কবি ছিলেন। তিনি নীরবে নিভৃতে কাব্যচর্চা করতেন। তাঁর কবিতা ছিল অসাধারণ ও হৃদয়স্পর্শী। তাঁর মাও এক সময় কবিতা লিখতেন। পারিবারিক এই সাহিত্য পরিবেশ সরমিনের উপর প্রভাব ফেলে এবং সরমিনও সেই প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে কাব্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। সাহিত্যচর্চা তথা কবিতা তাঁর রক্তের সঙ্গে মিশে আছে।
ময়মনসিংহ মুসলিম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে স্কুল জীবন সমাপ্তি করেছেন। পরে নাসিরাবাদ কলেজ ও আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করেন।
তাঁর স্বামীর নাম- এস.এম.এ. লতিফ। তিনি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করেছেন। তিনি ব্যবসা করেন। সরমিনের শ্বশুর বাড়ী ঢাকা। সরমিনকে তাঁর স্বামী কবিতা লিখায় অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকেন এবং কাব্যচর্চায় সার্বিক সহযোগিতা করেন।
নাসরিন সরমিন এর দুই ছেলে, বড় ছেলে আহসানুল হক আদিব ও ছোট ছেলে আজিজুল হক আসিফ। তারা লেখাপড়া করছে।
সরমিনের সখ লেখালেখি, বই পড়া, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন ও গান শোনা। স্বামীর ব্যবসার কারণে তিনি থাকেন বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। চট্টগ্রামের পাহাড়, সমুদ্র এবং অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাঁকে মুগ্ধ করেছে, চট্টগ্রামের নির্জন স্থান, অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যতায় তিনি কবিতা লিখার উপযুক্ত পরিবেশ খুঁজে পান। নাসরিন সরমিন দুঃখী মানুষের পাশে থাকতে ভালোবাসেন। প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা সরমিনের কবিতার উপজীব্য বিষয়।
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত স্থাপত্য নিদর্শন। এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ‘বাগেরহাট মসজিদ শহর’-এর অংশ। ১৫শ শতকে খান জাহান আলী মসজিদটি নির্মাণ করেন।
নাম ষাট গম্বুজ মসজিদ হলেও এর মূল গম্বুজের সংখ্যা ৭৭টি। চারটি মিনারের গম্বুজ যুক্ত করলে মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টি। দীর্ঘ সময় ও বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই মসজিদে তুঘলকি ও জৌনপুরী স্থাপত্যশৈলীর সুন্দর সমন্বয় দেখা যায়। রাজমহল থেকে আনা পাথর ব্যবহার করে নির্মিত এই মসজিদ আজও বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক।
সিলেট শহরের কাছেই অবস্থিত উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী মালনীছড়া চা বাগান। ১৮৫৪ সালে এখানে চা উৎপাদনের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে চা চাষের যাত্রা শুরু হয়।
প্রায় দেড় শতাব্দীর ইতিহাস বুকে ধারণ করে থাকা এই বাগানটি এখন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। উঁচু-নিচু টিলা, সারি সারি চা গাছ, ছায়াবৃক্ষ আর আঁকাবাঁকা রাস্তার মনোরম দৃশ্য প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
চা বাগানের পাশাপাশি এখানে কমলা, রাবারসহ বিভিন্ন ফল ও ঔষধি গাছের চাষ রয়েছে। সিলেটের চা-শিল্পের ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম প্রতীক হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে মালনীছড়া চা বাগান।
শিরোনামটি আরও আকর্ষণীয় করো
বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই বন বাংলাদেশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশজুড়ে বিস্তৃত। এর প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে অবস্থিত।
সুন্দরবনের প্রধান গাছ সুন্দরী ও গেওয়া। এছাড়া পশুর, গরান, বাইন, কেওড়া, ধুন্দলসহ নানা প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল এই বন। চিত্রা হরিণ, বানর, বন্য শূকর, কুমির, অজগরসহ অসংখ্য প্রাণী ও পাখির আবাসও সুন্দরবন।
জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ সুন্দরবন ১৯৯২ সালে রামসার সাইট এবং ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় এখানে অভয়ারণ্য ও ডলফিন অভয়ারণ্যসহ বিভিন্ন সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
Cox’s Bazar is one of the most famous tourist destinations in Bangladesh. It has a long and interesting history.
In the early 9th century, the greater Chittagong area, including Cox’s Bazar, was ruled by the kings of Arakan. In 1666, the Mughals conquered the area.
Mughal Prince Shah Shuja was attracted by the natural beauty of the hilly area while travelling to Arakan. He stayed there for some time with his large group. He had about one thousand palanquins with him. The name Dulahazara, meaning “one thousand palanquins,” is still used for a place in the area.
Later, the area was controlled by the Tipras, Arakanese, Portuguese and British. The name Cox’s Bazar came from British officer Hiram Cox. He worked to settle and help Arakanese refugees in the area. He died in 1799 before completing his work. A market was later established in his memory and was named Cox’s Bazar.
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্তঘেঁষা এলাকায় প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে গারো পাহাড়। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকার সঙ্গে যুক্ত এই অঞ্চল বাংলাদেশের শেরপুর ও ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। সবুজ পাহাড়, বনভূমি, ঝিরি ও পাহাড়ি প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এ অঞ্চলকে করে তুলেছে অনন্য।
গারো পাহাড়ের অন্যতম আকর্ষণ এর সবুজ-শ্যামল পরিবেশ। বর্ষাকালে পাহাড়ের চারপাশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা বনভূমি ও ছোট ছোট ঝিরির স্বচ্ছ পানি প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। পাহাড়ি পথ ধরে হাঁটলে চোখে পড়ে নানা ধরনের গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর বিচরণ।
গারো পাহাড় শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে গারো জনগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতি। তাদের নিজস্ব ভাষা, পোশাক, উৎসব ও ঐতিহ্য এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সমন্বয়ে গারো পাহাড় বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পাহাড়ি অঞ্চল। পরিকল্পিত পর্যটন ব্যবস্থা ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে গারো পাহাড় আরও জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ওসূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট। বঙ্গোপসাগরের ১৫ কিলোমিটারদৈর্ঘ্যের বিশাল সমুদ্র সৈকত পৃথিবীর বিরল। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষাসহ সকলঋতুতেই মৌসুমী পাখিদের কলরবে মুখোরিত থাকে সমুদ্রতট। একমাত্র কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রে এসেই প্রকৃতির সৃষ্ট সাগরের নানা রূপ বিভিন্ন ঋতুতে উপভোগ করা সম্ভব। তাইতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটন পিপাসুরা বছরের বিভিন্ন ঋতুতে বার বার ছুটে আসে কুয়াকাটায়। কৃত্রিমতার কোন ছাপ নেই এখানে। সে কারণেই পর্যটকরা কুয়াকাটায় এসে প্রকৃতির নিয়মের সাথে নিজের মনকে একাকার করে। প্রকৃতির স্বাদ নিজ উপলব্ধিতে আত্মস্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠে। বিজড়িত দৃশ্য, যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তেরদৃশ্য অবলোকন করা ছাড়াও রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রায় দুইশত বছরের পুরানোঐতিহ্য শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারে প্রতিষ্ঠিত অপতার "গৌতম বুদ্ধের" বিশাল আকৃতির মূর্তিসহ শ্বেত পাথরের নির্মিত ছোট-বড় অসংখ্য মূর্তি রয়েছে। আরাকান রাজ্য থেকে বিতারিত হয়ে আসা রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকেরা তাদের রাজা মং এর নেতৃত্বে সাগর পাড়ি দিয়ে প্রথমে চট্রগ্রাম এবং পরে পটুয়াখালীর এ জঙ্গলাকীর্ণ এলাকায় তাদের বসতি স্থাপন করে। নিজস্ব ঐতিহ্য ও কৃষ্টে গড়ে তোলে নিজেদের আবাসস্থল। তৎকালীন সরকার রাখাইন সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওই সময় ৩একর এবং তাদের নিজস্ব পল্লীব জন্যে ১২ একর করে সম্পত্তি প্রদান করেন। এখনও তাদের ঐতিহ্যবাহী কলাপাড়ায় বিদ্যমান আছে।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলায় মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর প্রাকৃতিক জলাভূমি। প্রায় ১২৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই হাওর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি এবং দ্বিতীয় রামসার সাইট। স্থানীয়ভাবে এটি ‘নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল’ নামেও পরিচিত।
বর্ষাকালে টাঙ্গুয়ার হাওর বিশাল সমুদ্রের রূপ নেয়। চারপাশের সবুজ পাহাড়, নীল জলরাশি ও ঢেউয়ের খেলা মুগ্ধ করে ভ্রমণপ্রেমীদের। আর শীতকালে হাজারো পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো হাওর। 🐦🌿
ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ হয়ে তাহিরপুর ঘাটে পৌঁছে নৌকায় টাঙ্গুয়ার হাওর ঘুরে দেখা যায়। চাইলে আধুনিক হাউজবোটে রাতযাপন করে উপভোগ করা যায় হাওরের অনন্য সৌন্দর্য। 🛶✨
প্রকৃতি, পাহাড় আর জলরাশির অপূর্ব মিলন—টাঙ্গুয়ার হাওর সত্যিই বাংলাদেশের এক অনন্য সৌন্দর্যের নাম। 💙
FIFA President Gianni Infantino has hailed Lionel Messi as a football legend after the Argentine superstar brought his remarkable international career to an end.
Messi leaves Argentina as the nation’s record appearance-maker and top scorer, with 207 caps and 125 goals. The 39-year-old won the 2022 FIFA World Cup and two Copa América titles, cementing his place among the greatest players in football history.
“Your magical talent and humility will be remembered forever,” Infantino said, thanking Messi for inspiring millions and uniting fans around the world.
প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখর নায়িকা নোরা ফাতেহিকে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের কাছ থেকে দূরে থাকার জন্য চাপ দিতেন বলে দাবি করেছেন। চিঠিতে সুকেশ অভিযোগ করেন, নোরাকে দিনে ১০ বার পর্যন্ত ফোন করে জ্যাকুলিনকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করতে বলা হতো।
এ ছাড়া নোরার বিলাসবহুল জীবনযাপনের খরচ বহন করার জন্যও তিনি চাপ দিতেন বলে দাবি করা হয়েছে। সুকেশ আরও জানান, নোরাকে কোটি কোটি রুপি দেওয়ার পাশাপাশি মুম্বাইয়ের কাসা মারিয়ায় একটি বাড়ি কেনার জন্য অর্থ দেওয়ার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন ও বিভিন্ন বিলাসবহুল পণ্য নিয়েও যোগাযোগ হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।